|
হাছন রাজার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে সিলেট নগরীতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে মিউজিয়াম অব রাজাস। দেওয়ান তালেবুর রাজা ট্রাস্ট (হাছন রাজার নাতি) ২০০৬ সালের ২৪ এপ্রিল সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে মিউজিয়াম অব রাজাস উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ৩০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় জাদুঘরটি। সিলেট নগরীর জিন্দবাজারে অবসি'ত রাজা কুঞ্জে-সংরক্ষিত আছে হাছন রাজার পরিবারের ছবি, শ্বেত পাথরের তৈজসপত্র, হাছন রাজার ব্যবহৃত খরম, হুক্কা, হাছনরাজার ছবি, পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম কোরআন শরীফের একটি, লোকবাদ্য যন্ত্র- ঢোলক, একতারা, তুম্বিরা, সারিন্দা, দোতারা ইত্যাদি।
এছাড়াও আছে হাছন রাজার নাতি দেওয়ান তওয়াবুর রাজার ব্যবহৃত লাঠি, হাছনরাজার সময়কার হারিকেন, হাছনরাজার ২য় স্ত্রী সাজেদা বানুর ব্যবহৃদ তৈযসপত্র, হাছনরাজার ব্যবহৃত পোশাকের ছবি, তলোয়ারের ছবি, ঢোল এর ছবি, লাঠি’র ছবি যা হাছনরাজার পৈত্রিক বাড়ি রামপাশা, বিশ্বনাথ-এ সংরক্ষিত আছে। আরো আছে হাছনরাজার সময়কালীন হরিণের মাথা, শ্বেতপাথরের সিংহের মাথা। আছে হাছনরাজা ও লোকসঙ্গীত বিষয়ক ৩২টি বই।
রাজাকুঞ্জ প্রবেশের পর ডানদিকে দেখা যাবে দেওয়ান একলিমুর রাজা (হাছনরাজার ছেলে) কর্তৃক বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশাতে নির্মিত ঐতিহাসিক দালানের ভগ্নাবশেষ এর স্তম্ভ। চোখে পড়বে হাছনরাজার ব্যবহৃত লোহার সিন্দুক। রয়েছে হাছনরাজার ৭৮টি পোষা ঘোড়ার নাম, ৯টি পোষা হাতির নাম, ৮০টি পোষা কোড়া পাখির নাম। রবিবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মিউজিয়ামটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
|