Home  |  About Writer  |  Photo Gallery  |  Contact Us   
সূচিপত্র
সিলেটের প্রাচীন ইতিহাস
সিলেটের আদিবাসী ও উপজাতি সমাজ
প্রকৃতিকন্যা জাফলং
প্রকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর শ্রীপুর
জৈন্তার রাজবাড়ি
লালাখাল
নন্দানিক কীন ব্রিজ
ওসমানী জাদুঘর
মনিপুরী রাজবাড়ি
হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার
মিউজিয়াম অব রাজাস
মালনীছড়া: সবুজের সীমানায়
ভোলাগঞ্জ
টাঙ্গুয়ার হাওর
হাছন রাজা মিউজিয়াম
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প
শিল্পাঞ্চল ছাতকের সৌন্দর্য
মাদবকুন্ড জলপ্রপাত
মসজিদে শৈল্পিক সৌন্দর্য
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
হামহাম জলপ্রপাত
মাধবপুর লেক
বিটিআরআই ও চা- জাদুঘর
শ্যামলী
বাইক্কা বিলে পর্যটন টাওয়ার
নির্মাই শিববাড়ি
সিতেশ দেবের চিড়িয়াখানা
হাইল হাওর
ভাড়াউড়া লেক
অফিং হিল
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ
অপরূপ সাতছড়ি
রেমা কালেঙ্গা অভয়ারণ্য
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
স্বপ্নের মায়াজাল বিছানো উঁচু নিচু টিলায় ঘেরা অনন্য সুন্দর চিরহরিৎ বন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। উদ্যানের গভীরে অরণ্য অঞ্চল হাজারও প্রজাতির বৃক্ষরাজী, রং-বেরঙের প্রজাপতি, এখানে ওখানে অর্কিডের ছড়াছড়ি আপনাকে মুগ্ধ করবে। অরণ্য বেষ্ঠিত নৈসর্গিক শোভার এই সাম্রাজ্যে আছে ১৫৫ প্রজাতির পাখি, রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির বুনো অর্কিড।

একসাথেই দেখতে পাবেন খাসিয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসীদের পল্লী। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান পশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বনের একটি অংশ। উদ্যানটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। মোট আয়তন ২৭৪০ হেক্টর। বনের অভ্যন্তরে ১২৫০ হেক্টর এলাকা নিয়ে উদ্যানটি গঠিত।

ন্যাশনাল পার্কে প্রবেশ করা মাত্রই প্রত্যক্ষ করা যায় অন্য আবহ। চারিদিকে আলো-আধাঁরির মিলন মেলা। রাস্তার দু’পাশের বৃক্ষগুলো আলোক রষ্মিকে আটকে রেখেছে। মাঝে মাঝে বৃক্ষসারির মগডালে চোখ রাখলে দেখা যায়, বানর আর হনুমান লাফালাফি করছে। একটু ভেতরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে বনমোরগ, উল্লুক, মেছোবাঘ বন বিড়ালসহ বিভিন্ন জীবজন্তু। আর পার্কের বিশাল বিশাল বৃক্ষরাজি, জীবজন'র হুঙ্কার, ঝিঁঝি পোকার শব্দ, বানরের লাফালাফি, ঝাঁকঝাঁক উল্লুকের ডাকাডাকি। একটু সময়ের জন্য হলেও ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর হয়ে প্রাণে লাগবে প্রশান্তির ছোঁয়া।

উদ্যানটিতে ৬ প্রজাতির সরীসৃপ ২৪৬ প্রজাতির পাখি, ৬ প্রজাতির বানরসহ ২০ প্রজাতির স্তন্য পায়ী এবং ৪ প্রজাতির উভচরের আবাসস্থল। প্রাণী প্রজাতির মধ্যে আছে উল্লুক, হনুমান, কুলুবানর, লজ্জাবতি বানর, মায়া হরিণ, কমলা পেটের কাটবিড়ালী এবং গন্ধগকুল। পার্কের ভিতরে রয়েছে খাসিয়া পুঞ্জি।

পার্কের পাহাড়বিস্তৃত লম্বা বৃক্ষে খাসিয়ারা পান চাষ করে থাকে। পার্কের একপাশে রয়েছে আনারসের বাগান। অন্যপাশে চায়ের বাগান। আবার কোথাও রয়েছে লেবুর বাগান, জঙ্গলের ভিতরে আছে কয়েকটি পাহাড়ী ছড়া।

শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ থেকে সহজেই যাতায়াত করা যায় লাউয়াছড়ায়। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র ৮কিলোমিটার দূরে জাতীয় উদ্যানটির অবস্থান। অল্প খরচে শ্রীমঙ্গল থেকে যেকোন পরিবহন ভাড়া করে ঘুরে আসতে পারেন অরণ্য ঘেরা সবুজের সাম্রাজ্য থেকে।
Home  |  About Writer  |  Photo Gallery  |  Contact Us